শিরোনাম

This is another post for single

আশরাফুল ইসলাম অন্যায়ের বিরুদ্ধে আমরা

প্রকাশিত: জুলাই ২০, ২০১৭ ১২:১৩ অপরাহ্ণ
Print Friendly and PDF

প্রথম বাংলা নিউজ : পুলিশ যেন নাগরিকদের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ এবং হয়রানি না করা হয় মর্মে বাড়িওয়ালার মাধ্যমে ভাড়াটিয়াদের তথ্য সংগ্রহ করা যাবে বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে ডিএমপি বিধিমালার এ সংক্রান্ত ধারাকেও বৈধ ঘোষণা করে পর্যবেক্ষণসহ রিট নিষ্পত্তি করেছেন হাইকোর্ট।   মঙ্গলবার দুপুরে হা্ইকোর্টের বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি আশীষ রঞ্জন দাসের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই রায় দেন।
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার অনিক আর হক ও আইনুন নাহার সিদ্দিকা। অপরদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোতাহার হোসেন সাজু।
আদালত বলেন, পুলিশের প্রধান কাজ জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। পুলিশের নেয়া যেকোনো পদক্ষেপ আইনানুগ হতে হবে বলে পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে। বাড়ির মালিক ও ভাড়াটিয়াদের যে তথ্য পুলিশ সংগ্রহ করেছে, সেগুলো কঠোর নিরাপত্তা গ্রহণ করে সংরক্ষণ করতে বলা হয়েছে।
রায় ঘোষণার পর মোতাহার হোসেন সাজু সাংবাদিকদের বলেন, আদালতে দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে আমরা যা বলেছি তার সঙ্গে একমত হয়েছেন। আদালত বলেছেন, পুলিশ তথ্য সংগ্রহ করতে পারবে। তবে নাগরিকরা গোপনীয়তার স্বার্থে কোনো কলাম পূরণ করতে না চাইলে তাকে জোর করা যাবে না।
তিনি আরো বলেন, ঢাকা মহানগর পুলিশ (নিয়ন্ত্রণ ও নির্দেশনা বিধিমালা ২০০৬) এর ৪ (খ) ধারায় বলা হয়েছে, মহানগর এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে যে কোনো পদক্ষেপ নিতে পারবে। এই ‘যে কোনো’ কথাটা অবাধ নয়। সংবিধান ও আইনের আলোকে এর প্রয়োগ করতে হবে। এছাড়া তথ্য সংরক্ষণে ডিএমপি ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে একটা বিধি প্রণয়নের কথা বলেছে। আদালত সেই বিধি প্রণয়নের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহে আরো কঠোর হতে বলেছেন।

তবে রিটকারী আইনজীবী অনিক আর হক বলেন, আদালতের রায়ে আমরা বুঝতে পারিনি পুলিশের কাজকে সরাসরি বৈধ বা অবৈধ বলা হয়েছে কি না। তাই রায়ের কপি পাওয়ার পরই বিষয়টি বুঝতে পারব।
এর আগে ভাড়াটিয়াদের ব্যক্তিগত তথ্য বাড়ির মালিকদের মাধ্যমে নেওয়ার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে একটি রিট করা হলে গত বছরের ১৩ মার্চ তা খারিজ হয়। সেই রিট ডিএমপি বিধিমালার ৪ (খ) ধারা অনুযায়ী খারিজ করেছিলেন আদালত।
পরে ডিএমপির বিধিমালার সেই ধারা চ্যালেঞ্জ করে চলতি বছর ২০ মার্চ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী আইনুন নাহার সিদ্দিকীসহ তিনজন আরেকটি রিট করেন।
সেই রিটের পরিপ্রেক্ষিতে জারি করা রুলের শুনানি ৮ আগস্ট শেষ হয়েছে। এরপর আদালত রায়ের জন্য ১৭ আগস্ট তারিখ নির্ধারণ করলেও সেদিন তা কার্যতালিকায় আসেনি। পরে আজকের কার্যতালিকায় আসলে আদালত এই রায় দেন।
রিট দায়েরের পর এ বিষয়ে আইনজীবী অনিক আর হক বলেছিলেন, ডিএমপি বিধিমালার ৪ (খ) ধারাকে চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদনটি করা হয়েছে। এ ধারা অনুযায়ী আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ যেকোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারবে। সে হিসেবে পুলিশ রাজধানীর বাসার মালিক ও বাসার ভাড়াটিয়াদের কাছ থেকে তথ্য চেয়ে একটি ফরম বিতরণ করেছে। যেখানে পুলিশ অনেক ব্যক্তিগত গোপনীয় তথ্য চেয়েছে। বিষয়টি সংবিধানের মৌলিক অধিকারের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। তাই এই ধারাটি চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে।

May 2026
M T W T F S S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031
প্রিয় পাঠক, আমাদের সংবাদ সম্পর্কে আপনার যেকোন মতামত কাম্য